স্বাধীনতা থেকে স্বাধীনতা

স্বাধীনতা কেবলি শব্দ নয়, এ যে এক অনুভূতি।
স্বাধীনতা শুধু স্বাধীন করে না, আনে জনমত শ্রুতি।
স্বাধীনতা হলো মুক্তির ছোঁয়া, আজাদীর লস্কর।
স্বাধীনতা হলো সকল সত্তারই অনধীন ভাস্কর।
পরাধীনতাকে পেছনে ফেলে স্বাধীনতা ছুটে চলে।
শিকল ভেঙে সবাই তখন মুক্তির কথা বলে।
স্বাধীনতা হলো সেই অধিকার, যা পরাধীনতাকে দেয় চাপা
এবার এসো। দেখিতো বসো; স্বাধীনতা হবে মাপা!
স্বাধীনতা কভু যায় না মাপা, নেই এর পরিমিতি।
স্বাধীনতা মানেই স্মরণে আসে সেই মুক্তির স্মৃতি।
স্বাধীনতা হলো ঐতিহাসিক সেই বজ্রকণ্ঠ বাণী।
স্বাধীনতা মানে আমরাই বা কতটুকু আর জানি!
স্বাধীনতা বলে, ‘শুধাও আমায় কী আমার পরিচয়।’
‘আমি ঘৃণা করি অধস্তনদের, করি তার অবক্ষয়।’
স্বাধীনতা বলে, ‘আমি এসেছি সে অভ্যুত্থান থেকে।’
স্বাধীনতা বলে, ‘আমি এসেছি মুক্তিযুদ্ধ থেকে।’
একাত্তরের সেই স্বাধীনতা ছিল মুক্তির জন্য।
স্বাধীন হয়েও পাষাণ মোরা একরোখা আর বন্য!
স্বাধীনতা মানে অর্জনই নয়, ধারণ করিয়া রাখা।
সেই স্বাধীনতা, এই স্বাধীনতা একই বৃক্ষের শাখা!
বাঙালি হয়ে লড়েছি যুদ্ধ এনেছি স্বাধীনতা।
এবার যুদ্ধ মানুষ হিসেবে, অস্ত্র নৈতিকতা।
আবারও সময় হয়ে এসেছে করবো মুক্তিযুদ্ধ
শোষককে নয় এবার করব দুর্নীতিকে রুদ্ধ।
সে যুগ আমার, এযুগও আমার প্রেক্ষাপটটা ভিন্ন
সব দুর্নীতি পেছনে ফেলি, হবো না কো কভু ক্ষুণ্ণ।
এবারও ঘুচাবো অন্ধকারের কালো পরাধীনতা
এই যাত্রার নামটি হবে স্বাধীনতা থেকে স্বাধীনতা।

