বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬
কানেক্টেড থাকুন:
Logo
লগইন করুন নিবন্ধন করুন
হোম / কবিতা / নিবন্ধ

মেঘের অভিমান

Author

, Sreemangal Govt College

প্রকাশ: ১ মে ২০২৬ পাঠ: ১৪০ বার

হে ধরিত্রী, বলো কবে শান্ত হবে?

সুর্যি মামা তোমার ভয়ে,

লুকিয়ে গেছে দিগন্ত পানে।

সবই আছে তোমার মাঝে,

শুধু আমি নেই কারো পানে?

 

আকাশটাও কেমন মন খারাপ করে

ঘন কালো বেশে আছে পড়ে,

সুর্যি মামার মোহ দ্রোহ, গলছে নাকো তাহার পানে,

দিঘল রজনী কেঁদেই চলেছে,

ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাহার পানে?

বিষণ্ণ আকাশের দিঘল দিঘল আলো,

সুরজি মামার নজর না কাড়ল,

সে যে জানেনা ধরণী কিভাবে মুগ্ধ হবে।

সে শুধু তার কিরণ বিচরণ করছে,

মোহের দাহন তার কাছে অজানা।

 

ধরণীর এই বিষণ্ণ চাহনি,

সুর্যি মামার হৃদয় করল দগ্ধ।

দগ্ধিত সূর্য অপেক্ষায় প্রহর গুনছে সেই নীল পৃথিবীর—

যে নীল পৃথিবীকে,

সে তার কিরণ দিয়ে সম্ভ্রান্ত করেছে,

তার বুকে থাকা মানবকুলকে প্রাণে বাঁচার শক্তি দিয়েছে।

আজ সেই শক্তির আধার ধরিত্রীর মোহ কামনায় ব্যস্ত,

কই, ধরিত্রীর তো আর রাগ ভাঙ্গানো যায় না!

 

সে অভিরাম কেঁদেই চলেছে তার রবের পানে;

ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে নালিশ করছে,

“হে দয়াময়, তো্মারই শ্রেষ্ঠ জীব,

আমার বুকে এভাবে হানাহানি করছে!”

আমি তাদের আহার দিয়েছিলাম,

তারা আমার বুকে বারুদ আর তাদেরই রক্ত বিসর্জন দিয়েছে।

আমি তাদের মুক্ত বাতাস দিয়েছিলাম,

তারা আমাকেই দূষিত করে ফেলেছে।

আমি তাদের প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে দিয়েছিলাম,

তারা আমার উপভোগকেই মেরে ফেলেছে।

আমি তাদের কত কি দিলাম,

বিপরীতে তারা আমাকে একের পর এক কষ্ট দিল।

 

হে দয়াময়, তারাও তো আজ সুখে নেই,

যারা আমার সুখ করেছে দহন।

হে দয়াময়, আজ আর আমি থামবো না,

আমার সকল অভিমান কান্নায় বিসর্জন দেব।

আমি কারো পরোয়া করি না,

আমি নীরবেই কেঁদে যাব।

উপলক্ষ: নতুন সূর্যের প্রতীক্ষা।
লেখক: সদস্য, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।
লিংক কপি হয়েছে!