বুধবার, ৫ আগস্ট ২০২৬
কানেক্টেড থাকুন:
Logo
লগইন করুন নিবন্ধন করুন

সুপারহিরোর মুখোশের আড়ালে: দয়াশীলতার আসল ক্ষমতা

Author

, Dhaka College

প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬ পাঠ: ৬০ বার

স্পাইডারম্যান হয়তো একটি কাল্পনিক চরিত্র, কিন্তু পিটার পার্কারের ভেতরের মানুষটি আমাদের চারপাশের বাস্তবতারই এক নিখুঁত প্রতিচ্ছবি। তার জীবনে তিক্ত এবং প্রতিশোধপরায়ণ হওয়ার মতো শত শত কারণ ছিল। পদে পদে সে প্রিয়জনদের হারিয়েছে, প্রতারিত হয়েছে। কিন্তু এরপরও সে দয়াশীল থাকার পথ বেছে নিয়েছে।

“আমাকে কেউ কষ্ট দিয়েছে, তাই আমি সবাইকে কষ্ট দেব”— এই প্রচলিত বিষাক্ত মানসিকতাকে সে প্রশ্রয় দেয়নি। এর বদলে তার Empathy (সহানুভূতি) তাকে ভাবতে শিখিয়েছে, “আমি জানি আঘাত পাওয়ার যন্ত্রণা কতটা গভীর, তাই আমি নিশ্চিত করব যেন আর কেউ এই আঘাত না পায়।” এটি কেবল একটি মুভির সংলাপ নয়, এটি মানবজীবনের এক গভীর দর্শন।

আমাদের সমাজে এমন অনেকেই আছেন যারা নিজেরা কষ্ট পেয়ে অন্যের জন্য কাঁটা বিছিয়ে রাখেন। কিন্তু দিনশেষে প্রকৃত ‘কামিয়াব’ বা সফল তো সে-ই, যে নিজে ভেতর থেকে ক্ষত-বিক্ষত হওয়ার পরও অন্যের প্রতি দয়া দেখাতে ভোলে না। তার এই Resilience (মানসিক দৃঢ়তা ও সহনশীলতা) প্রমাণ করে যে, সত্যিকারের সুপারপাওয়ার কোনো জাদুকরী ক্ষমতা নয়, বরং শত কষ্টের মাঝেও নিজের মানবিকতা ধরে রাখা।

লেখক: সদস্য, ঢাকা কলেজ শাখা।
লিংক কপি হয়েছে!